যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ধ্বংস হয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া
হামলার ধরন ও লক্ষ্যবস্তু:
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ড্রোন ও স্যাটেলাইট সহযোগিতায় পরিচালিত একাধিক নির্ভুল হামলার মাধ্যমে ইরানের একটি সামরিক কমান্ড সেন্টার, অস্ত্রাগার ও রাডার স্থাপনায় আঘাত হানে। অভিযানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় বলে পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
“এটি কেবল একটি সামরিক বার্তা নয়, বরং একটি কৌশলগত ও রাজনৈতিক সংকেতও।”
ট্রাম্পের ভূমিকায় আন্তর্জাতিক চমক:
ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার আমলে গৃহীত পরিকল্পনার ভিত্তিতেই এই হামলা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন,
“আমার প্রশাসন ইরানের হুমকির বিষয়টি বহু আগেই নির্ধারণ করেছিল এবং উপযুক্ত কৌশল তৈরি করেছিলাম। আজ তার ফল আমরা দেখছি।”
এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের এই অবস্থানকে অনেকে কৌশলী প্রচারণা বলেও মনে করছেন।
ইরানের প্রতিক্রিয়া:
ইরান হামলার সত্যতা আংশিকভাবে স্বীকার করেছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অস্বীকার করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,
“বিদেশি আগ্রাসনের জবাব কঠোর হবে। এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে।”
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন,
“ইরানের মাটি রক্ত দিয়ে হলেও রক্ষা করা হবে। প্রতিশোধ হবেই।”
বিশ্ব রাজনীতিতে প্রতিক্রিয়া:
হামলার পর জাতিসংঘে জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া ও চীন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই ঘোষিত সাফল্য বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের জন্যও চাপ তৈরি করতে পারে।
ইরানে এই সামরিক হামলা ও তার রাজনৈতিক ফলাফল বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের অভিঘাত তৈরি করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ‘সফলতা’ তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্ককে কীভাবে প্রভাবিত করে, তা এখন দেখার বিষয়।