মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল সরবরাহে বিঘ্ন ও দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশেও ‘প্যানিক বাইং’ বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
কুমিল্লার অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, ঘাটতির গুজবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং অতিরিক্ত তেল কেনার ধুম পড়েছে। এছাড়াও একটি সিন্ডিকেট বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে দেখিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন ভোক্তারা।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেটকার সর্বেোচ্চ ১০ লিটার পর্যন্ত তেল ক্রয় করতে পারবে। কিন্তু তেল কেনার সময় ক্রয়ের রশিদ দেখাতে হবে এবং পূর্বের ক্রয়ের রশিদ জমা দিতে দেখা যায়নি কোনো পাম্পে।
এদিকে পাম্প মালিকেরা বলছেন, সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে, দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সেক্ষেত্রে সকলে সচেতন হলে জ্বালানি তেলের মূল্য এবং সরবরাহ স্থিতিশীল থাকবে।