মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে প্রায় ৪৩ ঘণ্টা পর পদ্মা নদী থেকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে পদ্মাসেতুর ৪নং পিলারের কাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস জানান, মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকারী সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে পদ্মা সেতুর নিচে ডুবে যাওয়ার স্থান সংলগ্ন এলাকায় একটি মরদেহ ভেসে উঠতে দেখা যায়। পরে নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন (১৭) শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। তিনি কোলাপাড়া ব্রাহ্মণপাইকসা এলাকার মো. লতিফ মিয়ার ছেলে এবং শ্রীনগর কলেজ গেট এলাকায় বসবাস করতেন।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, নিখোঁজের পর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা টানা দুই দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালান।
উল্লেখ্য, গত রোববার দুপুর ২টার দিকে আরাফাত চার বন্ধুর সঙ্গে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে তারা স্রোতের টানে পদ্মাসেতুর ৪নং পিলারের কাছে চলে যায়। তখন তিনজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও আরাফাত স্রোতে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার চেষ্টা চালালেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।