ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পিরোজপুরের পশুর হাটগুলো জমতে শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাকভর্তি গরু-ছাগল নিয়ে আসছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাটজুড়ে চলছে হাঁকডাক, দরদাম আর পশু দেখাদেখি। কেউ পছন্দের পশু কিনতে এসেছেন, কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে দেখছেন হাটের পরিবেশ।
এবছর জেলার সাতটি উপজেলায় স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ২৬টি পশুর হাট বসেছে। হাটের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম ও পযার্প্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনি নিয়োজিত রয়েছে।
ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে পশুর হাট। হাটে যথেষ্ট পশুর আমদানি থাকলেও বেশিরভাগ বেচাকেনা চলছে মধ্যস্থাকারী (দালাল) পর্যায়ে। কোরবানি করবে এমন ক্রেতাদের বড় অংশই কেবল হাট যাচাই-বাছাই করতে ঘুরে দেখছেন। যারা কিনছেন তারা বেশিরভাগই গ্রামের ক্রেতা। তবে আগামী দুই-এক হাটের মধ্যে পুরোদমে হাট জমে উঠার সম্ভাবনার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা।
হাটে আসা সিরাজুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘মোটামুটি সব গরুই ভালো লাগছে। তবে দামদর মিলছে না। গরুর দাম বেশি চাচ্ছে।’
আইনুল নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাটে পর্যাপ্ত গরু আছে। তবে দাম অনেক। বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম চাচ্ছেন।
জিয়ানগর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন জানান, এ বছর হাটে ভারতীয় ও মিয়ানমারের কোনো গরু আসেনি। এতে আশা করা যায় এবার স্থানীয় খামরিরা লাভবান হবেন। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ নিয়মিত হাটগুলো পরিদর্শন এবং সার্বক্ষণিক মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখার হয়েছে।