বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা গ্রামে একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলা গ্রাম থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, চান্দেরখোলা গ্রামের মৃত আবদার আলীর স্ত্রী মনিরা বেগম (৫২), তার ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫) এবং মনিরা বেগমের মা রাশিদা বেগম (৮৫)। রাশিদা বেগম বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশীদের স্ত্রী। কয়েকদিন আগে তিনি মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
ঘটনাস্থল থেকে কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহমুদ হাসান জানান, প্রতিবেশী কয়েকজন নারী প্রথমে বাড়ির বারান্দায় রাশিদা বেগমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির লোকজনকে ডাকাডাকি ও চিৎকার করেন। পরে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে মনিরা বেগম ও আহাদ হাওলাদারের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। বাড়িটি কিছুটা নির্জন এলাকায় হওয়ায় এবং আশপাশের লোকজন বিষয়টি বুঝতে না পারায় ঘটনাটি এতদিন অজানা ছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাই এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।