নির্বাচনী গণসংযোগকালে গুলিবিদ্ধ হওয়ায় এরশাদ উল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে তাকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে থেকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। গত বুধবার থেকে তিনি নগরের বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, এরশাদ উল্লাহ ভাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত আছেন। পরিবারের সদস্যরা সিদ্ধান্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বুকের ডান পাশে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এর আগে, বুধবার চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন চালিতাতলী এলাকায় এরশাদ উল্লাহ গণসংযোগ করেন। ওই সময় একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী জনসংযোগের ভেতরে প্রবেশ করে গুলি চালায়। এ হামলায় বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহসহ তিন জন গুলিবিদ্ধ হন। বাকি দুই জন হলো তার সঙ্গে জনসংযোগে থাকা সরোয়ার বাবলা ও শান্ত।
এই ঘটনায় সরওয়ার হোসেন বাবলা নিহত হন। নিহত সরওয়ার বাবলা নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৮টি মামলা রয়েছে।
সরওয়ার হোসেন বাবলা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহতের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শুক্রবার সকালে চান্দগাঁও থানাধীন হাজীরপুল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চান্দগাঁও থানাধীন হাজীরপুল এলাকার মৃত আবু তাহেরের ছেলে আলাউদ্দিন (৩৫) ও একই এলাকার দোস্ত মোহাম্মদের ছেলে হেলাল (৪০)। তারা দুজনই অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।