পৌষের হাড় কাঁপানো শীতে কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম। তাপমাত্রা নিম্নগামী হওয়ায় হিমেল বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। এ অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কুয়াশা ও ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা। বিড়ম্বনার পড়েছে কৃষি শ্রমিকরাও। সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা থাকছে চারদিক। এ সময় বৃষ্টির ফোটার মত ঝড়ছে কুয়াশা।
কুয়াশার ঘনত্ব বেশি হওয়ায় যানবাহনগুলো ধীরগতিতে বিলম্বে গন্তব্যে যাতায়াত করছে। সূর্যের উত্তাপ না থাকায় দিনের বেলায় হিমেল বাতাসে তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি, আমাশয়, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগ। এর মধ্যে শিশু ও বয়স্করাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ৪২ জন এবং শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে ৮৪ জন। ২৫০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি আছে ৩৪৮ জন।