মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নাম্বার দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ বোর্ডে গড় পাসের হার কমেছে ৩.৯৯ শতাংশ। সোমবার (১০ আগস্ট) ফলাফলে পাসের হার কমার প্রেক্ষাপটে খাতা মূল্যায়নে শিক্ষকদের নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোরতার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শিক্ষকদের খাতা মূল্যায়ন ও নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানের পেছনে কোনো বিশেষ বার্তা ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নাম্বার দেওয়া যায় না।’
এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠান ৫৭টি, ২০২৫ সালে ছিল ৪৮টি। এ বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠান ২২৬টি, ২০২৫ সালে ছিল ৮৬টি। এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠান ২৯টি, ২০২৫ সালে একটিও ছিলো না।
এবারের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশে। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী। এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ, ২০২৬ সালে জিপিএ–৫ পেয়েছে এক লাখ ছয় হাজার নয় পরীক্ষার্থী। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ, জিপিএ–৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯৫১ পরীক্ষার্থী। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, জিপিএ–৫ পেয়েছেন ছয় হাজার ৭১৬ পরীক্ষার্থী।
২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ ও মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ শিক্ষার্থী।