ইংরেজি ও গণিতে তুলনামূলক বেশি শিক্ষার্থী ফেল করায় সার্বিকভাবে ফেলের হার বেড়েছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘আমি সব বোর্ডের রেজাল্ট পর্যালোচনায় দেখেছি, ইংরেজি ও গণিত, এই দুটি বিষয়ে আমরা যখন পরীক্ষা দিয়েছি, তখন থেকে এখন পর্যন্ত ফেলের হার বাড়িয়ে দেয় ও পাসের হার কমিয়ে দেয়।’
তিনি বলেন, ‘অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষার্থীদের অনুত্তীর্ণ হওয়ার প্রবণতা বেশি। ফলে এ দুটি বিষয়ের ফলাফল সার্বিক পাসের হারে প্রভাব ফেলে।’
এর আগে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে দেখা যায়, এবারের গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী।
এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ, ২০২৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ছয় হাজার নয় পরীক্ষার্থী। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯৫১ পরীক্ষার্থী। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ছয় হাজার ৭১৬ পরীক্ষার্থী।
২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ ও মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ শিক্ষার্থী।