১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে কলকাতায় অমিতাভ বচ্চন মাসে ২৫০-৩০০ রুপি আয় করতেন।
১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে কলকাতায় অমিতাভ বচ্চন মাসে ২৫০-৩০০ রুপি আয় করতেন। সেই সময় ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে কর্মরত ছিলেন মায়া, যাকে অমিতাভ ভীষণ ভালোবাসতেন। মুম্বাইয়ে এসে শুরু হয় সিনেমার যাত্রা। জুহুর এক বাংলোতে মায়া প্রায়ই যেতেন, কিন্তু বাড়ির অন্যদের ভয়ে অমিতাভ ওই বাসা ছাড়েন।
‘সাত হিন্দুস্তানি’ ছবির শুটিং চলাকালীন আনোয়ার আলীর সাহায্যে অমিতাভ একটি অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন। এই সময়ে মায়া ও অমিতাভের সম্পর্ক ঝলমলে ছিল, এমনকি বিয়ের সম্ভাবনাও ছিল। তবে মায়ার আচরণ ও পারিবারিক মানসিকতার কারণে আনোয়ার ও বন্ধুরা সম্পর্কের বিরুদ্ধে ছিলেন।
শুটিংয়ের সময় আনোয়ার অমিতাভকে মায়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পরামর্শ দেন, কারণ মায়া বচ্চন পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবেন না এবং ক্যারিয়ারের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে। অবশেষে অমিতাভ ধীরে ধীরে দূরে সরে যান এবং তাদের পথ ছিন্ন হয়।
১৯৬৯ সালে ‘সাত হিন্দুস্তানি’ মুক্তি পায়, আর ১৯৭৩ সালে অমিতাভ বচ্চন জয়া বচ্চনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।