বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)- এর প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী আগামী ৩০ মে।
এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকছে প্রামাণ্য অনুষ্ঠান, আলোচনা, স্মৃতিচারণা, কবিতা পাঠ, শিশুতোষ পরিবেশনা ও দেশাত্মবোধক গান। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও কর্মভিত্তিক নানা অনুষঙ্গে সাজানো হয়েছে পুরো অনুষ্ঠানসূচি।
সকাল ৯টায় প্রচার হবে শিশুতোষ বিশেষ অনুষ্ঠান। মাহবুবা জ্যামিনের প্রযোজনায় এবং সমৃদ্ধি সূচনার উপস্থাপনায় নির্মিত এ আয়োজনে শিশুদের অংশগ্রহণে থাকবে ছবি আঁকা, গল্প বলা, নাটিকা ও আলোচনা। শিশুদের দৃষ্টিতে একজন রাষ্ট্রনায়ককে জানার ভিন্নধর্মী এই প্রয়াস অনুষ্ঠানটিকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা।
দুপুর ১২টা ও সন্ধ্যা ৭টায় প্রচার হবে মামুন মাহমুদের প্রযোজনায় বিশেষ প্রামাণ্য অনুষ্ঠান। এতে জিয়াউর রহমানের জীবনপথ, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর ভ‚মিকা, রাজনৈতিক দর্শন এবং মৃত্যুকে ঘিরে ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিশিষ্টজনের সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণায় উঠে আসবে তাঁর কর্মজীবনের নানা দিক।
বিকাল ৫টা ৩৫ মিনিটে থাকছে কবিতা পাঠের বিশেষ অনুষ্ঠান। জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রযোজনা এবং ফেরদৌসী আহমেদ চৌধুরীর উপস্থাপনায় এ আয়োজনে কবিতার ভাষায় স্মরণ করা হবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে।
রাত ৯টায় প্রচার হবে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে মৃত্যুঞ্জয়ী জিয়া’। মোস্তাফিজুর রহমান ও ইয়াসির আরাফাতের প্রযোজনায় নির্মিত এ অনুষ্ঠানে তথ্যচিত্র, আলোচনা ও স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হবে জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, নেতৃত্ব ও সময়ের প্রেক্ষাপট। অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বিশিষ্টজনরা।
এছাড়া রাত ১১টায় আবদুল্লাহ আল মামুনের প্রযোজনায় প্রচার হবে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানটি গবেষণা ও উপস্থাপনা করেছেন রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী। আলোচনা, সাক্ষাৎকার ও সংগীত আয়োজনের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি।
দিনব্যাপী আয়োজনে আরও থাকছে দেশাত্মবোধক গানের অনুষ্ঠান। সকাল ৭টা ১৫ মিনিট, ১০টা, দুপুর ১টা, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা ও রাত সাড়ে ১১টায় মাহেদুর রহমান ও লুৎফর রহমানের প্রযোজনায় প্রচার হবে এসব সংগীতানুষ্ঠান।