দেশের উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত—সবকিছুর মূল ভিত্তি রাজস্ব। অথচ এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নানা কৌশলে এই রাজস্ব ব্যবস্থাকেই পঙ্গু করে দিচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে কর ফাঁকির কিছু অভিনব ও ভয়াবহ পদ্ধতি—যা জানলে সত্যিই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়!
শীর্ষ ১০টি কর ফাঁকির কৌশল:
১. সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য গোপন
অভিজাত এলাকায় কোটি টাকার সম্পত্তি দলিলে দেখানো হয় লাখ টাকায়—ফলে সরকার হারায় বিপুল রাজস্ব।
২. ভুয়া ভ্যাট চালান
পণ্য না কিনেও বা ভ্যাট না দিয়েই ভুয়া চালান দেখিয়ে ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট নেওয়া।
৩. আয় গোপন বা কম দেখানো
বাস্তব আয়ের সঙ্গে কর ফাইলের আয়ের বিস্তর ফারাক—ইচ্ছাকৃত কর ফাঁকি।
৪. ব্যক্তিগত খরচকে ব্যবসার খরচ দেখানো
গাড়ি, ভ্রমণ, পারিবারিক ব্যয়—সবই দেখানো হয় 'ব্যবসার খরচ' হিসেবে!
৫. বিদেশে অর্থ পাচার (অফশোর ট্রিকস)
দেশে আয়, বিদেশে সঞ্চয়—কর নেই, জবাবদিহি নেই!
৬. জাল নথিপত্র তৈরি
ভুয়া দান, কাল্পনিক ঋণ—কাগজে-কলমে আয়কে বৈধ করার চেষ্টা।
৭. বেনামী সম্পদ গঠন
নিজের সম্পদ অন্যের নামে—আইনের চোখে ধুলো দেওয়া।
৮. আমদানিতে আন্ডার-ইনভয়েসিং
পণ্যের প্রকৃত মূল্য গোপন করে কম ট্যাক্স দিয়ে বিপুল অর্থ বাঁচানো।
৯. ছাড়পত্রে তথ্য গোপন
পরিবেশ বা অন্যান্য অনুমোদনে ভুল তথ্য দিয়ে কর দায় কমানো।
১০. টিন থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন না দেওয়া
বড় লেনদেন, কিন্তু কর ফাইলে নীরবতা— আইনের প্রকাশ্য অবজ্ঞা!