প্রকাশিত : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ৭:২৯:১০
জীবিকা নির্বাহে কাজ করার বিকল্প নেই। আর কাজের ব্যস্ততা সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি করতে পারে। শুধুই ক্যারিয়ার ও কাজকে প্রাধান্য দিলে কাছের মানুষ দূরে চলে যেতে বাধ্য। কিন্তু কাজ এড়িয়ে যাওয়ারও উপায় নেই। আবার সম্পর্কে চির ধরুক, সেটাও কেউ চায় না। তাহলে উপায় কী? ‘ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স’ কথাটা উচ্চারণ করা যতটা সহজ, বাস্তবে তা মেনে চলা ততটাই কঠিন। কিন্তু ৭-৭-৭ রুল মেনে চললে এই সমস্যা সহজেই এড়াতে পারবেন।
প্রতিশ্রুতি দেওয়া, যত্ন নেওয়া, খেয়াল রাখা, ভালোবাসা কিংবা দায়িত্ব নেওয়াই যথেষ্ট নয়। ব্যস্ত জীবনের মাঝে সঙ্গীকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়াও জরুরি। একে অন্যের সঙ্গে সময় কাটালে সম্পর্কের টানাপোড়েন সহজেই এড়ানো যায়। শুধু তা-ই নয়, এড়ানো যায় সম্পর্কের জটিলতা, রাগ-অভিমান, মনোমালিন্যও। একে অন্যের আর একটু কাছে আসা যায়। আর এই কাজটাই সহজ করে দেয় ৭-৭-৭ রুল।
৭-৭-৭ রুল কী?
৭-৭-৭ রুল এক ধরনের ট্রেন্ড। যেখানে ৭ দিনে একবার ডেট নাইটের প্ল্যান করবেন। ৭ সপ্তাহের ব্যবধানে এক রাত একে অন্যের থেকে দূরে থাকবেন। ৭ মাসে একবার একসঙ্গে ঘুরতে যাবেন এবং এই ট্রিপটা রোম্যান্টিক হওয়া চাই। কাজকে যেভাবে প্রাধান্য দেন, একইভাবে সম্পর্কেও জোর দিতে হবে। যদি একেবারেই সঙ্গীর সময় বের করতে না পারেন, তখন কাজে আসতে পারে ৭-৭-৭ রুল।
সম্পর্কে কীভাবে প্রয়োগ করবেন ৭-৭-৭ রুল?
১. দুজনের শিডিউল দেখে সপ্তাহে একদিন ডেট নাইটের প্ল্যান করুন। এই ডেটে ডিনারেও যেতে পারেন, আবার বাড়িতে একসঙ্গে বসে সিনেমাও দেখতে পারেন। শুধু আপনাদের একসঙ্গে সময় কাটাতে হবে। ইচ্ছে হলে একদিনের জন্য লং ড্রাইভে বা কোথাও ঘুরতেও যেতে পারেন।
২. প্রতি রাতেই একসঙ্গে ঘুমান। হাজার ব্যস্ততার মাঝেও একে অন্যকে ছাড়ে রাত কাটান না। কিন্তু মাঝে মাঝে দূরত্বও একে অন্যকে আরও কাছাকাছি এনে দিতে পারে। ৭ সপ্তাহ অন্তর এক রাত একে অন্যের থেকে দূরে থাকুন। ওই দিন নিজের মতো করে সময় কাটান। এবং সঙ্গীকে আপনার গুরুত্ব বুঝতে দিন। দূরে থাকলেই বুঝতে পারবেন একে অন্যকে কতটা ভালোবাসেন।
৩. ৭ মাস অন্তর ছোট্ট হলিডে প্ল্যান করতে পারেন। সেই উইকএন্ড শুধু আপনারা দুজন একসঙ্গে কাটাবেন। এতে একে অন্যের আরও কাছে আসতে পারবেন। পাশাপাশি নিজের মধ্যে হওয়া ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিতে পারবেন।