ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার আলোচনার কেন্দ্রে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। আসন বণ্টন অনুযায়ী, সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপি পেতে যাচ্ছে ৩৫টি আসন। এই মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দলটির ভেতরে শুরু হয়েছে ব্যাপক তৎপরতা ও লবিং। মহিলা দলের পাশাপাশি এবার সাবেক ছাত্রদল নেত্রীদের নামও জোরালোভাবে আলোচনায় আসছে।
নারী আসনের এ আলোচনায় বেশ এগিয়ে আছেন মিরপুর–পল্লবীর বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর বেগম মেহেরুন্নেসা হক।
বেগম মেহেরুন্নেসা হক দীর্ঘ দুই দশক ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে পল্লবী–মিরপুর অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
৩৮টিরও বেশি মামলার আসামি ছিলেন তিনি। ৭০ বছর বয়সেও বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তারসহ নির্যাতিত হয়ে এসেছে মেহেরুন্নেসার পরিবার। তার বড় ছেলে জাতীয় যুব নেতা নয়ন বাঙ্গালীকে দলীয় প্রোগাম শেষ করে বাসায় ফেরার পথে মৎস ভবনের সামনে প্রকাশ্যে পুলিশী নির্যাতনে পঙ্গু করে দেওয়া হয়। যা ওই সময় বেশ আলোচিত সংবাদ ছিল। এক যোগে সব পত্র-পত্রিকায় ছাপা হয়।
তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতা জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বের জন্য তাকে একজন যোগ্য ও সময়োপযোগী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে মনে করছেন দলের নেতাকর্মীরা।