সদরঘাটের ১৪ নম্বর পন্টুনের কাছে ঢাকা–ইলিশা (ভোলা) রুটের ‘আসা যাওয়া–৫’ নামের একটি লঞ্চের সাথে ঢাকা–দৌলতদিয়া–যশোরহাট রুটের ‘এমভি জাকির স্মার্ট–৩’ নামক লঞ্চের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। সংঘটিত দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ছয় সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবুল ইসলামকে। বাকি সদস্যরা হলেন নৌ পুলিশ, ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন, বিআইডব্লিউটিএ-এর পরিচালক (ক্রয় ও সংরক্ষণ) এস এম শাহেদ রেজা, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার (সদরঘাট) মোহাম্মদ এহতেছানুল হক ফকির, ঢাকার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক (অপারেশন) এ কে এম শামসুজ্জোহা এবং সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. মেহেদী হাসান।
উক্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। একই সঙ্গে আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেছে।
উল্লেখ্য, বুধবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়ি ফিরতে গিয়ে রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুজন। এ ছাড়া এ ঘটনায় দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের ধাক্কায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।