নারী, শিশু ও তরুণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে নারী মৈত্রী আয়োজিত ইয়ূথ কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা হবে। তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে রক্ষায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির জন্য তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে এ বিষয়ে ঐকমত্য হওয়ায় সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এটিকে আইনে রূপ দেওয়া হবে।’
কনফারেন্সে জানানো হয়, দেশে প্রতি বছর তামাকজনিত রোগে প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। অথচ তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের তুলনায় স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ড. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, ‘তামাক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইন বাস্তবায়ন না হলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই দ্রুত অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করা জরুরি।’
সভায় বক্তারা পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহণে ধূমপান নিষিদ্ধ, তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বন্ধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রি নিষিদ্ধসহ কঠোর বিধান বাস্তবায়নের দাবি জানান। তারা সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ পাস করে আইনে রূপান্তরের জোর আহ্বান জানান।