বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন উপায় না থাকায় সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য কমলে দ্রুত দেশে তেলের দাম কমানো হবে। শিগগিরই মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সমাধান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় না করলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ফ্যামিলিমকার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়ানো যাবে না। সব অর্থের বড় অংশ ভর্তুকির পেছনে ব্যয় হয়ে গেলে প্রত্যেকটি বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আসছে বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য সুখবর আসছে বলেও জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কমাতে চায় সরকার। ঈদের ছুটিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এবারের ঈদ স্বস্থিতে কাটেনি বলেও জানান তিনি।
রোববার রাতে পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি মাসে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় হয়। আমরা একটি কথা কিন্তু বারবার বলবার চেষ্টা করেছি যে, একান্ত যখন উপায়হীন হবে সরকার তখনই এ ধরনের অপ্রিয় কিছু সিদ্ধান্ত হয়তো সরকার নিতে বাধ্য হবে। মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে এ ধরনের বাস্তবতা এসেছে।
বাংলাদেশে জ্বালানির ৬৬ শতাংশ ডিজেল জানিয়ে অনিন্দ্য অমিত বলেন, এটার পেছনেই সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি সরকারকে দেওয়া লাগে। কিন্তু তারপরেও ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়নি। কারণ সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবে দুর্ভোগে না পড়েন। কিন্তু আমরা উপায়হীন। সে ক্ষেত্রে কিছু কিছু জায়গায় বাধ্য হয়ে কিছু সমন্বয় করতে হচ্ছে।