চার দিনের সফরে আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ঢাকায় আসছেন কমনওয়েলথের মহাসচিব শার্লি বচওয়ে। বাংলাদেশে এটি শার্লির প্রথম সরকারি সফর।
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্তে বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার অংশ হিসেবে তার এই সফর।
চারদিনের এ সফর শেষে আগামী ২৪ নভেম্বর কমনওয়েলথ মহাসচিব ঢাকা ত্যাগ করবেন।
সফরকালে অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে তার। এর মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ছাড়াও হাইকমিশনার, রাজনৈতিক দলের নেতারা এবং অন্যান্য প্রতিনিধিরাও রয়েছেন।
বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। যার মধ্যে আছে বাংলাদেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র ও সুশাসন এবং সমৃদ্ধির জন্য জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জাতীয় অগ্রগতিকে সমর্থনে চলমান সম্পৃক্ততা আরও গভীর করা।
বৈঠককালে শার্লি বচওয়ে কমনওয়েলথের নতুন কৌশলগত পরিকল্পনা, যা গণতন্ত্রকে এর তিনটি মূল স্তম্ভের মধ্যে স্থান দেয়, সে সম্পর্কে অংশীদারদের অবহিত করবেন এবং কীভাবে উপযুক্ত সহায়তা বাংলাদেশের জনগণকে সর্বোত্তমভাবে সহায়তা করতে পারে; তাও শুনবেন।
সফরের আগে এক বিবৃতিতে মহাসচিব বচওয়ে বলেন, স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগ দিয়েছিল এবং এটি সংগঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
তিনি জানান, বিস্তৃত পরিসরের অংশীদারের সঙ্গে কথা বলে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সরাসরি বোঝার চেষ্টা করবেন এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্ভাব্য সহায়তার ক্ষেত্র নির্ধারণ করবেন।
বচওয়ে বলেন, কমনওয়েলথ ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি শক্তিশালী অংশীদারত্ব রয়েছে, যা আগামী বছরের নির্বাচনের আগে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমাদের অঙ্গীকার হলো বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পাশে থাকা, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও স্বাধীনতা সম্মানিত হবে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ যখন ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন তিনি দেশের জনগণের মঙ্গল কামনা করেন এবং গণতান্ত্রিক যাত্রায় কমনওয়েলথের পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত থাকবে।