জবাবদিহিতার অভাব, নিম্নমানের নির্মাণে জনগণের কোটি কোটি টাকার ক্ষয়
সংস্কার প্রকল্প ও বাজেট
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে -এর গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির সংস্কার প্রকল্প অনুমোদন হয়। ব্যয় ধরা হয় ৬৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা।
প্রকল্পের আওতায় ছিল
দুই বছরের মধ্যেই ভয়াবহ ধস
বর্তমানে সড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল, গর্ত ও ধস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বর্ষায় পানি জমে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে এক ট্রাকচাপায় ধসে পড়ে কালভার্টের একাংশ, এতে একজন চালক আহত হন। স্থানীয়রা বলছেন,
“এভাবে নির্মাণ হলে ৬৭ কোটি না, ৬৭ হাজার টাকাও মূল্য পায় না।”
বিশেষজ্ঞদের মতামত
স্থানীয় প্রকৌশল বিশেষজ্ঞরা জানান,
জবাবদিহিতার অভাব ও ঠিকাদারি অনিয়ম
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আগেও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ ছিল। স্থানীয় প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা বরাবরই দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এখনো তদন্তে নামেনি।
একজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান
“প্রকল্পে নানা জায়গায় রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় আমরা মান নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।”
৬৭ কোটি টাকার প্রকল্প মাত্র দুই বছরের মাথায় ভেঙে পড়া কেবল আর্থিক অপচয় নয়, এটি দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার নগ্ন উদাহরণ। সরকারের উচিত জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম ঠেকাতে প্রকল্প তদারকি ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।