শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও উপস্থিতি বাড়াতে সরকার চালু করছে 'স্কুল মিল' কর্মসূচি
কর্মসূচির লক্ষ্য ও পরিধি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এই 'স্কুল মিল' কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী:
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানান,
“পুষ্টিহীনতা রোধ, ঝরে পড়া রোধ এবং মনোযোগ ধরে রাখতে স্কুল মিল কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”
কী থাকবে খাবারে?
প্রাথমিকভাবে খাবারের মেনুতে রাখা হচ্ছে:
খাবার তৈরির জন্য স্থানীয় খাদ্য উৎস ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে পুষ্টির মান বজায় থাকে ও স্থানীয় অর্থনীতি উপকৃত হয়।
অর্থায়ন ও সহযোগিতা
কর্মসূচির অর্থায়ন হবে সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি - WFP)-এর যৌথ সহায়তায়। শিক্ষা অফিসার ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে স্থানীয়ভাবে তদারকির ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হচ্ছে।
প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য প্রভাব
শিক্ষাবিদ ও পুষ্টিবিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ:
একজন অভিভাবক বলেন,
“দুপুরের খাবার পেলে শিশুরা না খেয়ে স্কুলে যেতে বাধ্য হবে না।”
সরকারের এই 'স্কুল মিল' কর্মসূচি শুধু একটি খাবার বিতরণ নয়, বরং এটি একটি সামাজিক নিরাপত্তা বলয়। এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণ ও মান দুটোই উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সফল বাস্তবায়নের জন্য দরকার স্বচ্ছতা, তদারকি ও সকল অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণ।