ভোটের মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অবশ্যই রয়েছে বলে মন্তব্য করছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। কোনো বিষয়ে অভিযোগ থাকলে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটিকে জানানোর পরামর্শও দেন তিনি। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে করা ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব এসব কথা বলেন।
নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা, আমি আপনাদের মাধ্যমে সবাইকে বলছি যে আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি ৩০০ আসনে ৩০০ ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি আছে। তাদের বলেন, রিটার্নিং অফিসারের কাছে বলেন, উইথ অ্যা কপি টু আস। আমরা এখান থেকে এই জিনিসটাকে ফলোআপ করব।’
রোববার (২৫ জানুয়ারি) কূটনীতিকদের ব্রিফ করার বিষয়ে ইসি সচিব জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কূটনীতিকদের ব্রিফিং করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রদূত ও মিশনপ্রধান মিলিয়ে ৪১ জন প্রতিনিধি ছিলেন। সরকারি কর্মকর্তা ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের প্রতিনিধি ছিলেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি কূটনীতিকদেরও জানার বিষয় ছিল।
ইসি সচিব বলেন, ‘কূটনীতিকেরা মূলত নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ভোটের ফলাফল দিতে কত সময় লাগবে, তা জানতে চেয়েছিলেন। নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়েছে। পুলিশ বাহিনী, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী নৌবাহিনী, র্যাব, আনসারের সংখ্যাগত হিসাবগুলো, কতজন থাকবেন, এগুলো সম্পর্কে বলা হয়েছে। এবার ভোটকেন্দ্রে ২৫-৩০ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে পুলিশের।’
ইসি সচিব জানান, ভোটকেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণায় সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা পার হবে। তবে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনায় বিলম্ব হবে।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমাদের হিসাবমতে কেন্দ্রের রেজাল্ট সময়মতই হয়ে যাবে। তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা বা চার ঘণ্টা। ডিপেন্ডিং অন দ্য নাম্বার অব ভোট কাস্টেড।’
তবে যেসব রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রবাসীদের ভোট আসবে, সেসব কেন্দ্রে ভোট গণনার সময় বেশি লাগবে বলে জানান ইসি সচিব।