ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রেলের যাত্রী, ট্রেন ও রেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনা দিয়ে অফিস আদেশ জারি করেছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অফিস আদেশে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল নাশকতা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে গণপরিবহন হিসেবে রেলকে লক্ষ্য করে নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। এবারের নির্বাচনে ৫১টি দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রায় দুইহাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় ও নির্বাচন কমিশন তাদের নিবন্ধ স্থগিত করায় দলটি এবারের নির্বাচনে নেই।
নির্বাচন ঘিরে রেল মন্ত্রণালয় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড হতে পারে বলে যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সেই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রেলের যাত্রী সাধারণ, ট্রেন ও রেল অবকাঠামোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করণীয় নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।
এ ছাড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে, যাতে যাত্রীসাধারণ নির্বিঘ্নে রেলসেবা গ্রহণ করতে পারেন ও সম্ভাব্য যেকোন নাশকতা আগেভাগেই প্রতিরোধ করা যায়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
অফিস আদেশে জানানো হয়, কোনপ্রকার নাশকতা কিংবা রেল যাত্রী, ট্রেন ও রেল অবকাঠামোর ক্ষতিসাধনের কোন প্রচেষ্টা দৃষ্টিগোচর হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ রেলস্টেশনে কর্মরত কর্মচারীবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট গেটকিপার অথবা রেল পুলিশকে অবহিত করার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া এমন কোনো ঘটনা বা সন্দেহজনক পরিস্থিতি নজরে এলে বাংলাদেশ রেলওয়ের হটলাইন নম্বর ১৩১-এ ফোন করে কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে মন্ত্রণালয়।