দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.১।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায়। ভৌগোলিকভাবে এর অবস্থান ছিল ২২.৮৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৯.০১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ও ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (এনসিএস) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১৫০ কিলোমিটার গভীরে।
এদিন ভোরে সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে এই মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবীর গণমাধ্যমকে বলেন, যেখানে ভূমিকম্পটি হয়েছে, সেটি কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। সেখানে যে ভূমিকম্প হয়েছে, সেটা এমনিতেই হালকা। এর আগেও সেখানে ভূমিকম্প হয়েছে। এ নিয়ে আশঙ্কার কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস ধরেই দেশের বিভিন্ন স্থানে ছোট ও মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হচ্ছে, যা নিয়ে ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এর আগে ২১ নভেম্বর হওয়া ভূমিকম্পে সারা দেশে ১০ জন নিহত ও ছয় শতাধিক মানুষ আহত হয়। রিখটার স্কেলে সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৭।