নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যদি আচরণবিধি ভঙ্গ করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে কমিশন তা তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ইসি মাছউদ আরও জানান, অভিযোগ যদি গুরুতর হয়, তা সরাসরি কমিশন গ্রহণ করবে এবং প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী দায়িত্বে কর্মরত কেউ যদি আইন ভঙ্গ করেন বা তার মধ্যে পক্ষপাতিত্ব দেখা দেয়, তাহলে যে কেউ আমাদের ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটির কাছে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। অভিযোগ গুরুতর হলে কমিশন নিজেই সেটাকে আমলে নিতে পারে। অভিযোগ পেলে কমিটির মাধ্যমে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, এমনকি তাদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া বা দুর্ব্যবহার যদি আইনের কাঠামোতে আচরণবিধি ভঙ্গের কারণ বলে নিশ্চিত হওয়া যায় তাহলে নিশ্চয়ই তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা মনে করি নির্বাচনী পরিবেশ তুলনামূলকভাবে যথেষ্ট ভালো আছে। সব রাজনৈতিক দলের কর্মী ও নেতাদের কাছে কমিশনের আবেদন থাকবে, যেন তারাও একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমাদেরকে সহযোগিতা করেন।’
শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে ইসি মাছউদ বলেন, আইন অনুযায়ী গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই আসনের নির্বাচনের পরবর্তী পদক্ষেপসহ সব কিছু বাতিল হয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশন দ্রুতই নতুন করে এ আসনে তফসিল ঘোষণা করবে। তবে ১২ ফেব্রুয়ারির আগে তা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ তফসিল ঘোষণা করতে হবে কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দিয়ে।