প্রকাশিত : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৫৭:২৭
মনামী ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেত্রী৷

ছোটবেলা কেটেছে বসিরহাট শহরে৷ ছোটবেলায় নৃত্যশিক্ষা করেন ও বহুবার মঞ্চেও নৃত্য পরিবেশন করেছেন৷

১৯৯৭ সালে সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস সাত কাহন অবলম্বনে দেবীদাস ভট্টাচার্য্য নির্মিত ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে কাজের মধ্যে অভিনয়ে যাত্রা শুরু।

মনামী অভিনীত ছায়াছবিগুলির মধ্যে ষড়রিপু, কালোচিতা, বনভূমি, বক্স নং ১৩১৩ অন্যতম।

এছাড়া তার অভিনীত টেলিভিশন ধারাবাহিকগুলির মধ্যে শ্যাওলা, সাতকাহন, এক আকাশের নিচে, কস্তুরী, ইরাবতীর চুপকথা।

এ ছাড়া মনামী ‘মাটি’, ‘এক মুঠো ছবি’, ‘বেলাশেষে’, ‘ওগো বধু সুন্দরী’, ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’, ‘ভালু সরদার’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

ফিটনেসের ব্যাপারে মনামী খুবই সচেতন। সেজন্য নিয়মিত শরীর চর্চাও করেন। সেই অভিজ্ঞতা আবার সামাজিকমাধ্যমে অনুসারীদের সঙ্গে শেয়ারও করেন।

মনামীকে দেখলে তার বয়স কত তা বুঝা কঠিন। এখনো যেন তিনি ‘সুইট সিক্সটিন’। কোন রহস্যে তার বয়স বোঝা যায় না? কী খান মনামী? মনামী বলেন, আমার হজমশক্তি দারুণ। তাই আমার ওজন বাড়ে না। আমি চেষ্টা করি খাবারে কার্বোহাইড্রেট না রাখার।

অবসরে ঘুরতে ভালোবাসেন। তবে বাইরে গেলেও যে তিনি ফিটনেস রুটিন অনুসরণ করেন তা কিন্তু নয়। মনামীর কথায়, যদি কোথাও বেড়াতে যাই, দেখবে একদম ডায়েটের বাইরে বেরিয়ে খাই। সেখানকার লোকাল খাবার খাই, ছুটির দিনে মায়ের হাতের বিরিয়ানি চাই-ই চাই। বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মনে ভরে খাওয়া, সবই করি আমি।

একবার থাইল্যান্ডে গিয়ে ‘মৎস্যকন্যা’র রূপ নেন মনামী। নানা ডিজাইনের বিকিনিতে একের পর এক ছবি পোস্ট করেন। তবে এতে যে শুধু প্রশংসা পেয়েছেন তা নয়। একের পর এক কটাক্ষও শুনতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। কেউ কেউ তার বডি শেমিং করেছেন, কেউ আবার তাকে মিনি উর্ফি তকমা দিয়েছেন।

মনামীর কাছে দিন শেষে খুশি থাকাটাই আসল। নিজেকে খুশি রাখার চেষ্টা চালিয়ে যান অভিনেত্রী। নেতিবাচকতাকে পাত্তা দেন না। আর সেটাই তার ফরএভার ইয়ং থাকার সবচেয়ে বড় রহস্য।