পাকিস্তানের ভাগ্য ছিল তাদের নিজের হাতে, কিন্তু গত রাতে তা ফসকে গেছে। শেষ ম্যাচ জিতলেও সেমিফাইনালের রাস্তা এখন সরাসরি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।
ইংল্যান্ডের কাছে শেষ ওভারে দুই উইকেট হারার পর পাকিস্তানের এখন হিসাব কষতে হবে। শুধু নিজেদের ম্যাচ নয়, চোখ রাখতে হবে অন্য দলগুলোর ফলাফলেও। যদি সেই ফলাফল তাদের পক্ষে না আসে, শেষ ম্যাচ জিতলেও আর কোনো লাভ হবে না।
২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নদের ঝুড়িতে মাত্র এক পয়েন্ট। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বৃষ্টিবিঘ্নিত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছিল তারা। সেই এক পয়েন্ট এখনও তাদের সেমিফাইনালের আশা দেখাচ্ছে। শেষ চারে পৌঁছানোর জন্য পাকিস্তানকে বসে থাকতে হবে নিউজিল্যান্ডের অমঙ্গলের প্রার্থনায়। এই মুহূর্তে প্রধান বাধা কিউই দলই।
নিউজিল্যান্ডে আরও দুটি ম্যাচ বাকি, ইংল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। যদি কিউইরা দুটো ম্যাচই জেতে, তাহলে শীর্ষ দল হিসেবে তারা সেমিফাইনালে চলে যাবে। কিন্তু যদি তারা দুটো ম্যাচেই হারে, পাকিস্তানের আশা টিকে থাকবে। সেক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচটি হয়ে যাবে ভার্চুয়াল কোয়ার্টার ফাইনাল! যে দল জিতবে, তারাই সেমিফাইনালে যাবে।
নিউজিল্যান্ড এক ম্যাচ জিতলেও পাকিস্তানের আশা রয়ে যাবে। তখন নেট রান রেটের মারপ্যাঁচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। যদিও শেষ ৫ বল হাতে রেখে হারার পর পরিস্থিতি খুব একটা খারাপ নয়।