জুনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপের। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে ফিফা, আয়োজক দেশগুলো এবং টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া দলগুলো। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ইরানের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলে যৌথ হামলার পর ইরানের অংশগ্রহণ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এশিয়া অঞ্চল থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের লড়াই গ্রুপ ‘এ’ থেকে ইরান বিশ্বকাপ খেলার টিকিট অর্জন করেছিল। সবশেষ কাতার বিশ্বকাপও খেলেছিল দেশটি। তবে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধের কারণে ফিফা এখনও ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চায় না। পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে চায় বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ফিফার মহাসচিব ম্যাচিয়াস গ্রাফস্ট্রম শনিবার বার্ষিক সাধারণ সভায় বলেন, ‘আজ সকালে ইরান সম্পর্কিত খবরটি পড়েছি। বিস্তারিত মন্তব্য করার সময় নয়। আমরা বিশ্বজুড়ে সমস্ত বিষয় পর্যবেক্ষণ করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ওয়াশিংটনে ফাইনাল ড্র হয়েছিল যেখানে সমস্ত দল অংশগ্রহণ করেছিল। আমাদের লক্ষ্য একটি নিরাপদ বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা। আমরা সর্বদা আয়োজক তিন দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব।’
২০২৬ বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপে ইরান রয়েছে। তাদের প্রতিপক্ষ: বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে খেলার কথা। তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রে খেলবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদি তাজ বলেছেন, ‘এই সিদ্ধান্ত ক্রীড়া কর্মকর্তাদের নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এই বিশ্বকাপে ইরানের খেলা কঠিন হয়ে পড়ছে।’
যদি শেষ পর্যন্ত ইরান অংশ না নেয় বা তাদের অংশগ্রহণ দেওয়া না হয়, তাহলে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত। কারণ কোনো দল যদি বিশ্বকাপ থেকে বের হয়, তাদের জায়গা নিবে কোয়ালিফায়ার রুটের সরাসরি রানার্সআপ দল। এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত।