জাতীয় দলের সূচি নিয়ে আলোচনা চলছিল একদিকে, আর বাস্তবতা বদলে গেল অন্যদিকে; তাও মাত্র ৭২ ঘণ্টার ব্যবধানে। গত শনিবার (৪ এপ্রিল) বাফুফের জাতীয় দল কমিটির সভায় যেখানে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ বা টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে কথা হচ্ছিল, সেখান থেকে হঠাৎ করেই ইউরোপের দেশ সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচ চূড়ান্ত করে ফেলেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
সভা শেষে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ও জাতীয় দল কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবু জানিয়েছিলেন, জুন উইন্ডোতে এশিয়ার দলগুলোর সঙ্গে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে কাজ চলছে। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই সেই পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন এনে ঘোষণা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ খেলবে ইউরোপের দল সান মারিনোর বিপক্ষে।
ইতালির নিকটবর্তী ছোট দেশ সান মারিনো বর্তমানে ফিফা র্যাংকিংয়ের একেবারে তলানিতে, ২১১তম স্থানে। ফুটবলে সক্রিয় দেশগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে নিচের অবস্থান। অন্যদিকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম। অর্থাৎ, ইউরোপে গিয়ে নিজেদের চেয়ে ৩০ ধাপ নিচে থাকা দলের বিপক্ষেই মাঠে নামতে যাচ্ছে হামজা-জামালরা।
বাফুফে তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও ফেসবুক পেজে এই ম্যাচটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম ইউরোপ ম্যাচ। তবে এই দাবি নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ ২০০০ সালে লন্ডনে ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ, যা ইউরোপ মহাদেশেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।