সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুটা দারুণভাবে করে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদের তোপ আর মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত চাপে পড়ে পাকিস্তান। তবে একপ্রান্তে ধৈর্য ধরে লড়াই চালিয়ে যান অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম।
শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় সেশনে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২৩২ রানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে সফরকারীরা পিছিয়ে থাকে ৪৬ রানে। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার নাহিদ রানা, ৬০ রানে নেন ৩ উইকেট।
এর আগে দিনের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় পাকিস্তান। বিনা উইকেটে ২১ রান থেকে খেলতে নেমে প্রথম চার ওভারের মধ্যেই হারায় দুই ওপেনার আবদুল্লাহ ফজল ও আজান আওয়াইসকে। দুই উইকেটই তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। এরপর শান মাসুদকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের চাপ আরও বাড়ান মেহেদী হাসান মিরাজ। মাত্র ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা।
একদিকে নিয়মিত উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্তে বাবর আজম চেষ্টা চালিয়ে যান ইনিংস টেনে নেওয়ার। সিঙ্গেল ও বাউন্ডারিতে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন তিনি এবং অর্ধশতকও তুলে নেন। নিজের ক্যারিয়ারের ৩১তম টেস্ট ফিফটি করে তিনি যোগ দেন স্মিথ ও জ্যাক ক্রলির সঙ্গে ডব্লিউটিসি ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ফিফটি-স্কোরারের তালিকায়। এটি ছিল ডব্লিউটিসিতে তার ২০তম অর্ধশতক। তবে ইনিংসটি বড় করতে পারেননি বাবর। নাহিদ রানার বলে ৬৮ রানে আউট হন তিনি।
এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন শান মাসুদ ও বাবর আজম। তবে সেই জুটি বেশি দূর যেতে দেননি মিরাজ। ৩৮ রানের জুটিতে মাসুদ ২১ রানে আউট হন, শর্ট কাভারে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে।