কে বলবে বয়সটা ৩৮! এই বয়সেও যেন ফুটবল ইতিহাস নিজের মতো করে লিখে চলেছেন লিওনেল মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ২-০ গোলের নকআউট জয়ে জোড়া গোল করেন তিনি। আর এই ম্যাচেই একসাথে একাধিক মাইলফলকে পৌঁছে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির ২৮তম ম্যাচ। এই ম্যাচ শেষে তিনি হয়ে যান টুর্নামেন্টের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। প্রথম দুই ম্যাচেই পাঁচ গোল এবং এর আগে করা ১৮ গোল; সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করে নিলেন তিনি।
আর্জেন্টিনার ২-০ ব্যবধানে জয়ের দিনে মেসি মোট চারটি বড় বিশ্বকাপ রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন, যেগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডবুকও।
১৮ গোল
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলের পর মেসির বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৮। এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান। একই সঙ্গে নারী-পুরুষ মিলিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৭ গোল করা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি মার্তার রেকর্ডকেও পেছনে ফেলেন তিনি।
১৮তম জয়
এই ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপে মেসির ১৮তম জয়। আগে ১৭ জয় নিয়ে শীর্ষে ছিলেন ক্লোসা। ২০০৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে মেসি এই নতুন ইতিহাস তৈরি করেছেন।
২৮ ম্যাচ
২০০৬ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর এটি ছিল তার ২৮তম ম্যাচ। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে লোথার ম্যাথিউসের ২৫ ম্যাচের রেকর্ড ভাঙার পর এবার সেই রেকর্ড আরও বাড়িয়ে নিলেন তিনি।
২,৪৮৯ মিনিট
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রায় পুরো ম্যাচ খেলে বিশ্বকাপে মেসির মোট খেলার সময় দাঁড়ায় ২,৪৮৯ মিনিট। এর আগে কাতার বিশ্বকাপে পাওলো মালদিনির ২,২১৭ মিনিটের রেকর্ড তিনি ভেঙেছিলেন।