ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রাণভোমরা ব্রুনো ফার্নান্দেজের হাতে উঠেছে পেশাদার ফুটবলারদের সংগঠন পিএফএর বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে রেকর্ড ২১টি অ্যাসিস্ট ও ৯ গোল করে ইউনাইটেডকে তৃতীয় স্থানে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন পর্তুগিজ এই মিডফিল্ডার।
২০২০ সালে ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পর এবারই প্রথম পিএফএ বর্ষসেরা হলেন ৩১ বছর বয়সী ব্রুনো। সব মিলিয়ে ইউনাইটেডের হয়ে ৩১৪ ম্যাচে ১১০ গোল ও ১০৬টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগ যুগে ক্লাবটির হয়ে ২০০ গোল-অ্যাসিস্টে পৌঁছাতেও রেকর্ড গড়েছেন ব্রুনো। তার চেয়ে দ্রুত এই মাইলফলকে পৌঁছাতে পেরেছেন শুধু ওয়েইন রুনি, ২৯৫ ম্যাচে।
ইউনাইটেডের জন্যও ব্রুনোর এই পুরস্কার বিশেষ। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ক্লাবগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ১২ বার পিএফএ বর্ষসেরা হয়েছে ইউনাইটেড। ব্রুনো হলেন দ্বিতীয় পর্তুগিজ খেলোয়াড় হিসেবে এই পুরস্কারজয়ী। এর আগে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে টানা দুইবার পুরস্কারটি জিতেছিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।
নারী বিভাগে দ্বিতীয়বারের মতো পিএফএ বর্ষসেরা হয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড খাদিজা শ। গত মৌসুমে উইমেন্স সুপার লিগে ২১ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন তিনি। এর আগে ২০২৪ সালেও এই পুরস্কার জিতেছিলেন শ।
বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড় হয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির ২১ বছর বয়সী লেফট-ব্যাক নিকো ও'রাইলি। অভিষেক মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সিটির হয়ে ৫৩ ম্যাচে ৯ গোল করেছেন তিনি। নারী বিভাগের বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড় হয়েছেন আর্সেনালের ২২ বছর বয়সী স্ট্রাইকার অলিভিয়া স্মিথ। টানা দ্বিতীয়বার এই পুরস্কার জিতলেন তিনি।
এদিকে পিএফএ ঘোষণা করেছে প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা একাদশও। চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালের সর্বোচ্চ পাঁচজন এবং রানার্স-আপ ম্যানচেস্টার সিটির চারজন খেলোয়াড় জায়গা পেয়েছেন।
পিএফএ বর্ষসেরা একাদশ
গোলকিপার: ডেভিড রায়া (আর্সেনাল)
ডিফেন্ডার: গ্যাব্রিয়েল মাঘালায়েস (আর্সেনাল), নিকো ও’রাইলি (ম্যানচেস্টার সিটি), উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল), জুরিয়েন টিম্বার (আর্সেনাল)
মিডফিল্ডার: ব্রুনো ফার্নান্দেজ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ডেক্লান রাইস (আর্সেনাল), রায়ান শেরকি (ম্যানচেস্টার সিটি)
ফরোয়ার্ড: আর্লিং হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি), অ্যান্তনিও সেমেনিও (ম্যানচেস্টার সিটি), ইগোর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড)