বার্নাব্যুর রাতটা যেন আবার মনে করিয়ে দিল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল মাদ্রিদ কেবল একটি দল নয়, এক ধরনের ভয়। নতুন কোচের অধীনে শুরুর ধাক্কা থাকতেই পারে, কিন্তু ইউরোপের মঞ্চে পা রাখলেই লস ব্লাংকোসরা অন্য রূপ নেয়। মোনাকোর বিপক্ষে ৬-১ গোলের জয়টা তাই শুধু তিন পয়েন্ট নয়, বরং নিজেদের পরিচয় নতুন করে ঘোষণা।
এই ম্যাচে গোলের চেয়েও বড় ছিল নিয়ন্ত্রণ। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র যেন পুরো খেলাটার ছন্দ ঠিক করে দিচ্ছিলেন। কখন গতি বাড়বে, কখন চাপ নামবে। এক গোল আর দুই অ্যাসিস্টে তিনি ছিলেন দলের অদৃশ্য পরিচালক। আর এমবাপ্পে? সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে দুই গোল করে বুঝিয়ে দিলেন, বার্নাব্যুতে তিনি কেবল তারকা নন, বড় ম্যাচের খেলোয়াড়। মাঝমাঠে বেলিংহামের দৌড়, ভালভার্দের নিখুঁত পাস আর তরুণ মাস্তানতুয়োনোর আত্মবিশ্বাস—সব মিলিয়ে রিয়াল ছিল সম্পূর্ণ একটি প্যাকেজ উপহার দিয়েছে সান্টিয়াগো বার্নাব্যুতে।
মোনাকোর একমাত্র গোলটা পরিসংখ্যানের খাতায় থাকলেও ম্যাচের গল্প বদলাতে পারেনি। কারণ এই রাতে রিয়াল খেলেছে সেই চেনা মানসিকতা নিয়ে—একবার এগিয়ে গেলে আর থামে না। পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে ওঠা গুরুত্বপূর্ণ, তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, নকআউট পর্বের আগে ইউরোপ আবার সতর্ক হয়ে তাকাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদের দিকে। বেনফিকার বিপক্ষে শেষ ষোলোর টিকিট এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।