মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
| ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি নির্বাচনে আবারও জয় পেয়েছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। ক্লাব সদস্যদের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ী এনরিকে রিকেলমেকে হারিয়ে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাবটির নেতৃত্ব দেওয়ার ম্যান্ডেট পেয়েছেন তিনি।
হোসে মরিনহোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আবারও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। রিয়াল মাদ্রিদে তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন এই পর্তুগিজ কোচ।
রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার এল ক্লাসিকো মানেই ছিল উত্তেজনা, লড়াই আর তারকাদের দ্বৈরথ। আর সেই দ্বৈরথের সবচেয়ে বড় নামগুলোর একজন লিওনেল মেসি।
কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ঘিরে রিয়াল মাদ্রিদের স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু ফরাসি তারকা দলে যোগ দেওয়ার পর গত দুই মৌসুমে বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেনি স্প্যানিশ জায়ান্টরা। মাঠের হতাশার সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে ড্রেসিংরুমের অস্বস্তিও।
রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি পদ ছাড়ছেন! এমন জোর গুঞ্জনের মধ্যেই হঠাৎ সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে সব আলোচনার জবাব দিলেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তবে শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েই নয়, স্প্যানিশ ফুটবলের রেফারিং নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি।
এল ক্লাসিকোর শিরোপা উৎসবের মাঝেও চোখের জল লুকাতে পারেননি হান্সি ফ্লিক। বার্সেলোনার জন্য এটি ছিল লিগ জয়ের রাত, কিন্তু জার্মান এই কোচের কাছে দিনটি ছিল গভীর ব্যক্তিগত বেদনারও। ম্যাচ শুরুর মাত্র ঘণ্টাখানেক আগে বাবার মৃত্যুসংবাদ পান তিনি। তবু নিজেকে সামলে টাচলাইনে দাঁড়িয়ে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন শেষ পর্যন্ত।
‘এল ক্লাসিকো’ কখনোই শুধু একটি ম্যাচ নয়। আর সেটি যদি হয় লিগ শিরোপা নির্ধারণের লড়াই, তাহলে উত্তেজনা পৌঁছে যায় অন্য মাত্রায়। ১৯৩২ সালের পর এবারই প্রথম লা লিগায় মৌসুমের শেষ ক্লাসিকো ঠিক করল শিরোপার ভাগ্য। আর সেই মঞ্চে উৎসবটা নিজেদের করেই রাখল বার্সেলোনা।
ফুটবল বিশ্ব আবারও থমকে যাবে এক ম্যাচের অপেক্ষায়। রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার লড়াই মানেই আলাদা উত্তেজনা, আলাদা আবেগ। এল ক্লাসিকো শুধু তিন পয়েন্টের হিসাব নয়, এটি মর্যাদা, ইতিহাস আর শ্রেষ্ঠত্বের যুদ্ধ।