চলমান দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পর সুপার এইটে পৌঁছেছে ক্রিকেট বিশ্বের শক্তিশালী দলগুলো। শিরোপার লড়াই এখন আরও জমে উঠেছে, যেখানে বিশ্বকাপের পরাশক্তি ছাড়াও জিম্বাবুয়ের মত চমকপ্রদ দলও নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে।
গ্রুপ পর্ব শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে এবং পাকিস্তান সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর সিংহলজি সুপার স্পোর্টস গ্রাউন্ডে পাকিস্তান ‘বাঁচা-মরার’ ম্যাচে নামিবিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে ওঠার যোগ্যতা অর্জন করে। সাহিবজাদা ফারহানের অপরাজিত সেঞ্চুরি এবং শাদাব খান ও উসমান তারিকের স্পিন জাদুতে পাকিস্তান জয় নিশ্চিত করে।
সুপার এইটের কাঠামো অনুযায়ী প্রতিটি গ্রুপের চার দল একে অপরের সঙ্গে একটি করে ম্যাচ খেলবে। দুই গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। সেমিফাইনালে এক নম্বর গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলবে দুই নম্বর গ্রুপের রানার্সআপের বিপক্ষে, আর দুই নম্বর গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন মুখোমুখি হবে এক নম্বর গ্রুপের রানার্সআপের সঙ্গে।

সূচি অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে সুপার এইটের লড়াই। একদিন পর ২২ ফেব্রুয়ারি পাল্লেকেলেতে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড এবং একই দিনে আহমেদাবাদে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ের।
পরবর্তী দিনগুলোতে পাল্লেকেলে, কলম্বো, আহমেদাবাদ, চেন্নাই, দিল্লি ও কলকাতায় বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং চেন্নাইয়ে ভারত-জিম্বাবুয়ে, ১ মার্চ দিল্লিতে দক্ষিণ আফ্রিকা-জিম্বাবুয়ে এবং কলকাতায় ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে সুপার এইট পর্ব।
এবারের সূচিতে বিশেষভাবে শ্রীলঙ্কা ও ভারতের ভেন্যুগুলোতে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে - কলম্বো, পাল্লেকেল, আহমেদাবাদ, মুম্বাই, চেন্নাই, দিল্লি ও কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনে দর্শক-উপস্থিতি, সম্প্রচারসিহ সবদিক থেকে উত্তেজনা আরও বাড়াবে।
সব মিলিয়ে, সুপার এইট পর্ব এখন নতুন রোমাঞ্চের মঞ্চ। প্রতিটি ম্যাচ কার্যত ‘নকআউট’-এর সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।