কেলেঙ্কারি ঢাকতে কলঙ্কের যুদ্ধ
কেলেঙ্কারি ঢাকতে কলঙ্কের যুদ্ধ

বিশ্বরাজনীতির মঞ্চে যখন কোনো পরাশক্তি হঠাৎ করেই রণমূর্তি ধারণ করে, তখন অভিজ্ঞ সাংবাদিকের চোখ কেবল কামানের গোলার দিকে থাকে না, বরং সেই ধোঁয়ার আড়ালে কী লুকানোর চেষ্টা হচ্ছে, সেদিকেও থাকে। ২০২৬ সালের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি এবং হঠাৎ করে শুরু হওয়া এই বিধ্বংসী যুদ্ধ আসলে কোনো একক সামরিক কৌশল নয়, বরং এটি মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম নোংরা এবং ভয়ঙ্কর একটি অভ্যন্তরীণ কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা। এই কেলেঙ্কারির নাম—জেফরি এপস্টাইন ফাইলস। ২৬ বছরের সাংবাদিকতা এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির নির্যাস নিয়ে যখন আমি এই ঘটনাটিকে ব্যবচ্ছেদ করি, তখন

তেহরানের বিমানবন্দরে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ, পাল্টাহামলা ইরানের
তেহরানের বিমানবন্দরে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ, পাল্টাহামলা ইরানের

তেহরানের প্রধান বাণিজ্যিক বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের পর সেখানকার টারমার্কে পুড়ে যাওয়া বিমান দেখা যাচ্ছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা শনিবার (৭ মার্চ) জানিয়েছে। এর আগে ইসরায়েল নতুন করে আরও হামলার তথ্য দিয়েছিল। তেহরানের অধিবাসীরা বিবিসি ফার্সিকে বলেছে, সবশেষ রাতটি ছিল তাদের কাছে সবচেয়ে ভয়াবহ, যেখানে প্রতি ঘণ্টায় হামলা হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া দেশটির সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, তার প্রশাসনের কাছে গ্রহণযোগ্য কাউকে ইরানের নতুন নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত।