পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে দেশের বাজারে আরেক দফা কমেছে সোনার দাম। কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এবার ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বাজুস। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৩১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে, সবশেষ গত ১৪ মার্চ সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা সেদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ২৬ দফা এবং কমানো হয়েছে ১৮ দফা।
এদিকে সোনার দামের সঙ্গে আরেক দফা কমানো হয়েছে রুপার দামও। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৬ দফা; কমানো হয়েছে ১২ দফা।