দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ছয় দিনে ১৫টি চালানের মাধ্যমে ভারত থেকে মোট দুই হাজার ১০০ টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানি করা চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করেছে। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব চাল আমদানি করেছে। আর আমদানি করা চাল ছাড়করণের কাজ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয় কার্যদিবসে ১৫টি চালানের মাধ্যমে দুই হাজার ১০০ টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ছয় হাজার ১২৮ টন। এরপর চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার, যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ছয় দিনে ৫৮টি ট্রাকে ২ হাজার ১০০ টন মোটা চাল আমদানি করেছেন। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজিতে বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, আমদানি করা চাল দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।