মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে ওই অঞ্চল থেকে জ্বালানি তেল আমদানি কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি পরিমাণে অপরিশোধিত তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে, যে পথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বাহলিল লাহাডালিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ইন্দোনেশিয়ার মোট আমদানিকৃত তেলের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এবং তা হরমুজ প্রণালী হয়েই আসে।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমরা মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে তেল নিচ্ছি, তার একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঘুরিয়ে দিচ্ছি। এতে করে আমাদের জ্বালানি তেলের নিশ্চয়তা বজায় থাকবে।’
জ্বালানিমন্ত্রী জানান, ইন্দোনেশিয়ার রান্নার গ্যাস বা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ৩০ শতাংশও আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। সরকার এখন বিকল্প কোনো দেশের কাছ থেকে এই গ্যাস কেনার কথা ভাবছে।
তিনি স্বীকার করেন, ইন্দোনেশিয়ার কাছে বর্তমানে কেবল তিন সপ্তাহের অপরিশোধিত তেলের মজুত আছে। পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার বা স্টোরেজ সুবিধা না থাকায় এর চেয়ে বেশি তেল তারা আমদানি করতে পারছে না।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত এক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দেশটি থেকে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জ্বালানি কেনার অঙ্গীকার করেছে ইন্দোনেশিয়া।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা