স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির জেরে নিজ দলেই বড় ধরনের তোপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এরই মধ্যে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন লেবার পার্টিরই কমপক্ষে ৩০ জন সংসদ সদস্য। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জোরালো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
শনিবার (৯ মে) এক প্রতিবেদনে দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে এই ঐতিহাসিক পরাজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকেই দায়ী করা হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে লেবার পার্টি এমন কিছু কাউন্সিলও হারিয়েছে, যা এর আগে কখনো অন্য কোনো দলের দখলে ছিল না।
পাশাপাশি স্কটল্যান্ডে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) কাছে বড় ধরনের ব্যবধানে হেরেছে লেবার এবং ওয়েলসে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পর এই প্রথমবারের মতো তারা সরকার থেকে ছিটকে গেছে।
এদিকে লেবার পার্টির ব্যাকবেঞ্চার সংসদ সদস্যরা (যারা মন্ত্রী নন) স্টারমারকে তার বিদায়ের সময়সীমা নির্ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
অবশ্য স্টারমারের পদত্যাগের এই দাবি কেবল লেবার পার্টির বামপন্থী অংশ ও সোশ্যালিস্ট ক্যাম্পেইন গ্রুপের (এসসিজি) মতো চিরচেনা বিরোধীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।
যুক্তরাজ্যের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও লেবার পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতা অ্যাঞ্জেলা রেইনারের ঘনিষ্ঠ মিত্র টনি ভন, লেবার পার্টির সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী সংসদ সদস্য ক্লাইভ বেটস এবং রক্ষণশীল ব্লু লেবার গোষ্ঠীর সদস্য কনর নেইস্মিথ—সবাই এখন প্রধানমন্ত্রীর ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ার দাবি তুলেছেন।