ভেনেজুয়েলায় গতকাল বুধবার বিকেলে পর পর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে ভূমিকম্পে অনেকের প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।
তবে সুনির্দিষ্টভাবে কতজন মারা গেছেন, তা তিনি উল্লেখ করেননি।
এসময় অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান তদারকি করতে রদ্রিগেজ উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।
ভাষণে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘জনগণের এই কঠিন সময়ে আহতদের চিকিৎসা সেবা দিতে আমরা দেশের, বিশেষ করে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সব সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসাব্যবস্থাকে সক্রিয় করেছি।
‘একই সঙ্গে এই মর্মান্তিক দুর্যোগে যারা পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
রদ্রিগেজ জানান, ভূমিকম্পে রাজধানী কারাকাসের মাইকেতিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবকাঠামোর ‘মারাত্মক ক্ষতি’ হওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে দেশব্যাপী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে। সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে রেলসেবা এবং জরুরি নয় এমন সব কার্যক্রম।
এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বুধবারের ভূমিকম্পে কারাকাসে বেশ কয়েকটি বহুতল ভবন ধসে পড়েছে।
রাজধানীর পাশাপাশি মিরান্দা, লা গুইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো ও ফ্যালকন প্রদেশও এই ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের খবর পাওয়া গেছে।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে রদ্রিগেজ বলেন, ‘এটি অত্যন্ত গুরুতর এবং বড় ধরনের বিপর্যয়।’