মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু হতে পারে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাসহ ভারতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নানা অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভের মধ্যে মোদির এই ঘোষণা এলো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
‘এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া আমাদের একের পর এক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতাতেই এই সিদ্ধান্ত।’
একই সঙ্গে মোদি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের (এনডিএ) সংসদীয় দলের বৈঠকে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দেন, যাতে তারা তরুণদের কাছে পৌঁছান এবং তাদের উদ্বেগগুলো শোনেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে যেন সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হয়, সে বিষয়টিও জোর দিয়ে বলেন তিনি।
এদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজিপি) প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
এক্সে তারা বলেছে, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের (কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী) পদত্যাগ করতেই হবে।’