ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, তেহরান নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রই কুয়েতের ‘অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে’।
কুয়েতের জনগণের উদ্দেশে আজ বৃহস্পতিবার ইরানি বাহিনীটি এ কথা বলেছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের কুয়েতে হামলার মূল লক্ষ্য কেবল মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। এসব এলাকা কুয়েতের নিজস্ব সীমান্তরক্ষীদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্র যাকে ইচ্ছা, এমনকি অন্য দেশের বন্দিদেরও, অবাধে আনা-নেওয়া করে।
‘সুতরাং আপনাদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে যুক্তরাষ্ট্র; আমরা নই। আমরা হামলা চালাচ্ছি মার্কিন সেনাবাহিনীর দখলে থাকা এলাকায়, যে বাহিনী অপরাধ ছাড়া আর কিছুই জানে না,’ যোগ করে আইআরজিসি।
এর মধ্যেই আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা আজ কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোতে নতুন করে হামলা চালায়। এসব হামলা ওয়াশিংটনের পদক্ষেপের প্রতিশোধ হিসেবে চালানো হয়।
আইআরজিসির দাবি, এদিন তারা কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় সামরিক সরঞ্জাম গুদাম, একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং এমকিউ-৯ ড্রোনের একটি হ্যাঙ্গার (ড্রোন রাখার জায়গা) ধ্বংস করেছে।
এছাড়া আল-আদিরি সেনানিবাসে মার্কিন সেনাদের আবাসন এবং দুটি হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গারে হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি।
তাদের ভাষ্য, এসব হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং হেলিকপ্টার ও ড্রোনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, ইরানে টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে তারা কুয়েতে একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।