প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২৩:০৬
দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র কারণে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় একাধিক রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে আছড়ে না পারে উপকূল ঘেষে বেরিয়ে যেতে পারে বলে জানায় দেশটির আবহাওয়া দপ্তর।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর শ্রীলঙ্কা এবং তামিলনাড়ু উপকূলের ওপর কেন্দ্রীভূত এবং উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে কারইকাল থেকে ৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর পূর্ব, বেদারান্নিয়াম থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব, পুদুচেরি থেকে ১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব, শ্রীলঙ্কার জাফনা থেকে ১৭০ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর পূর্ব এবং চেন্নাই থেকে ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে।
আবহাওয়া দপ্তর আগে জানিয়েছিল, রোববার সকালের মধ্যে তামিলনাড়ু-পুদুচেরি-দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ডিটওয়াহ। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় আরও কাছে এগিয়ে আসার পর তার গতিবিধি নতুন করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর তামিলনাড়ু-পুদুচেরির উপকূলের সমান্তরালে উত্তর দিকে এগোবে। রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে উপকূলের সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের দূরত্ব থাকবে সবচেয়ে কম। তা স্থলভাগের সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৭০ কিলোমিটার কাছে আসতে পারে।
এদিকে শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থা বিভাগের (ডিএমসি) বরাতে এএফপি জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র প্রভাবে সৃষ্ট প্রচণ্ড প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আরও ১৭৬ জন নিখোজ রয়েছে। প্রায় ১৫ হাজার বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। প্রায় ৪৪ হাজার মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।