প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ৪:৩৯:৪১
থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী কারেন আর্মির সঙ্গে আজ রোববার সরকারি বাহিনীর তীব্র গোলাগুলি হয়। এ সময় বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে ছোড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকটি মর্টারের গোলা গিয়ে পড়ে থাইল্যান্ডের একটি গ্যাস পাইপলাইনে।
এ ঘটনার জবাব দিয়েছে থাইল্যান্ড সেনাবাহিনী। তারাও গোলার দিক লক্ষ্য করে মর্টার ফায়ার করেছে। তবে থাই উপ-সেনাপ্রধান জানিয়েছেন, তারা সতর্কতা সংকেত হিসেবে ০৬টি স্মোক শেল ফায়ার করেছে। যদি মিয়ানমার থেকে থাই সীমান্তে ভবিষ্যতে গোলা আসা অব্যাহত থাকে তাহলে থাইল্যান্ড সেনাবাহিনীও প্রাণঘাতী গোলা ছুঁড়তে বাধ্য হবে।
ভাবশালী ইরেজি সংবাদমাধ্যম নেশন থাইল্যান্ড এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তসংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচটি মর্টারশেল থাইল্যান্ডের মে সটে আঘাত হানার পর ব্যাংককের নির্দেশে থাই বাহিনী পাল্টা চারটি ১২০ মিমি ধোঁয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে। এসব আঘাতে একটি বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুই বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।
তাদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে ও তারা নিরাপদ আছেন বলে জানানো হয়েছে।
থার্ড আর্মি রিজিয়নের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওরাথেপ বুনিয়া জানান, তাক প্রদেশের বিপরীতে মিয়ানমার সরকারি বাহিনী ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলার সময় মর্টারশেলগুলো থাই ভূখণ্ডে এসে পড়ে।
ওরাথেপ জানান, আজ রোববার সকালে নারেসুয়ান ফোর্সের অধীনে টাস্ক ফোর্স রাজামানুর সদস্যরা মে সট জেলার কাছে সীমান্ত অতিক্রম করে থাইল্যান্ডের দিকে ছোড়া পাঁচটি ৬০ মিমি মর্টারশেল শনাক্ত করে। এ খবর পাওয়ার পরই তিনি রয়্যাল থাই আর্মির কমান্ডার-ইন-চিফের কাছে প্রতিক্রিয়া জানানোর অনুমতি চান এবং অনুমোদন মেলে।
এরপর টাস্ক ফোর্স সংঘর্ষস্থলের দিকে চারটি ১২০ মিমি ধোঁয়ার শেল নিক্ষেপ করে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওরাথেপ বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’