জাপানের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সানায়ে তাকাইচি। রোববারের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন তিনি।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে’র তথ্য অনুযায়ী, তাকাইচির দল এলডিপি-এর নেতৃত্বাধীন জোট প্রতিনিধি পরিষদের ৪৬৫টি আসনের মধ্যে ৩৫২টি আসনে জয় পেয়েছে। এর মধ্যে শুধু এলডিপিই পেয়েছে ৩১৬টি আসন। যা মোট আসনের প্রায় ৬৮ শতাংশ।
যুদ্ধ পরবর্তী জাপানের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো একক দল প্রতিনিধি পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করল। জাপানের বিভিন্ন গণমাধ্যম এই ফলাফলকে “ঐতিহাসিক বিজয়” বলে অভিহিত করেছে।
অথচ ২০২৪ সালে এলডিপি সংসদের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিলো। এরপর তাকাইচি গত অক্টোবরে লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) নেতৃত্ব গ্রহণ করে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে তিনি পদত্যাগ করবেন।
ধারণা করা হচ্ছে তাকাইচির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাই দলকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেছে। এখন তাকাইচির সামনে চ্যালেঞ্জ হলো জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির মোকাবিলা করা, জাপানের স্থবির অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং মন্থর প্রবৃদ্ধিতে গতি আনা।
ব্রিটেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের বড় ভক্ত তাকাইচি সবসময়ই নিজের দেশের “আয়রন লেডি” হতে চেয়েছেন। থ্যাচারের মতোই তিনিও একজন কট্টর রক্ষণশীল। তিনি সমলিঙ্গের বিয়ের বিরোধিতা করেন সেইসঙ্গে রাজপরিবারে নারীদের উত্তরাধিকার সূত্রে সিংহাসনে বসার বিরোধীও তিনি।