বাংলাদেশ আইন সমিতির সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য ছুটি গ্রুপের বিভিন্ন রিসোর্টের সেবা ও প্যাকেজে বিশেষ ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ছুটি রিসোর্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ আইন সমিতির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মোতাহার হোসেন ভবনে অবস্থিত বাংলাদেশ আইন সমিতির কার্যালয়ে (কক্ষ নং-১০৫) এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
চুক্তিতে ছুটি রিসোর্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মোস্তফা মাহমুদ আরিফী এবং বাংলাদেশ আইন সমিতির সেক্রেটারি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ আইন সমিতির সদস্যরা ছুটি গ্রুপের বিদ্যমান চারটি রিসোর্টের বিভিন্ন সেবা ও প্যাকেজে ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে কর্পোরেট ডে-আউট, ফ্যামিলি ডে-আউট, নাইট স্টে, বার্ষিক এজিএম, কনফারেন্স এবং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং প্যাকেজ।
ছুটি গ্রুপের বিদ্যমান রিসোর্টগুলো হলো—ছুটি রিসোর্ট গাজীপুর, ছুটি রিসোর্ট পুবাইল, ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচল এবং ছুটি ফরেস্ট ঈগল রিসোর্ট, শ্রীমঙ্গল।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা আলমগীর ফেরদৌস, ছুটি রিসোর্ট গাজীপুরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. মোস্তফা কামাল, ছুটি রিসোর্ট পুবাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা শামসুল ইসলাম মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ আইন সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মামুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার সালেহ আকরাম সম্রাট, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার রনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ-আল-মাসুদ, আপ্যায়ন সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাগর তপাদারসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
ছুটি গ্রুপ কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০১২ সাল থেকে গত ১৪ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও ইকো-ট্যুরিজম খাতে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং অতিথিদের উন্নত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি নতুন নতুন গন্তব্য ও সেবা চালু করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় নির্মাণাধীন রয়েছে ছুটি হারমনি, ছুটি বিচ রিসোর্ট (ইনানী), সালতানাত টি রিসোর্ট, সালতানাত হাইওয়ে ভিলেজ ও আনন্দবাড়ি। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ আইন সমিতির সদস্যরাও সেখানে বিশেষ সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে ছুটি রিসোর্ট ও বাংলাদেশ আইন সমিতির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের বিকাশেও এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।