ঢাকায় তরুণদের অনুপ্রেরণা ও বৈশ্বিক প্রযুক্তি ক্যারিয়ার সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ঢাকা থেকে সিলিকন ভ্যালি’ শীর্ষক কমিউনিটি-নির্ভর আলোচনা সভা। এতে সহ-আয়োজক হিসেবে ছিলেন আহমেদ মোহতাসিম জাবের (এভিপি ও এআরএম, গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ব্যাংকিং, এইচএসবিসি বাংলাদেশ)।
অনুষ্ঠানের বিশেষত্ব ছিল—বাস্তব ও সম্পর্কযুক্ত অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব। বক্তারা নিজেরাই একসময় ঢাকায় বেড়ে ওঠা শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পরবর্তীকালে নিজেদের দক্ষতা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন গড়ে তুলেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ী হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য বক্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা, প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেওয়া এবং নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ রাখা হয়, যা তরুণদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আয়োজনটির মাধ্যমে ঢাকার ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমে কর্মরত অভিজ্ঞ পেশাজীবী ও উদীয়মান তরুণ প্রতিভাবানদের মধ্যে অর্থবহ সংযোগ তৈরি হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এসব সংযোগ ভবিষ্যতে মেন্টরশিপ, সহযোগিতা ও নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে একাধিক কমিউনিটি পার্টনার সহযোগিতা প্রদান করে। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যুব শাখা এনএইচএফ ইয়ুথ ইভেন্টটির হেলথ পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল। এ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন ডা. ইফতেখার আলী (এমবিবিএস, কো-অর্ডিনেটিং মেডিকেল অফিসার, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ)।
এছাড়া অ্যাড্রয়েট এডুকেশন ইভেন্টটির এডুকেশন পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি ছিলেন শাহরিয়ার জাহান। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লক্ষ্যে মেধাবী উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মেন্টরশিপ প্রদান করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।
ইভেন্টটির পরিচালনা ও প্রচারণা সংক্রান্ত সহায়তা প্রদান করেন তৌসিফ আহমেদ সিদ্দিকী (এএমজি ফাইন্যান্স, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড মিডিয়া কমিউনিকেশনস, ক্রিয়েশন ওয়ার্ল্ড)। তিনি সমন্বয় ও ইভেন্ট উপকরণ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ঢাকার ধানমন্ডির একটি ক্যাফেতে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে খোলামেলা আলোচনা, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং দীর্ঘ নেটওয়ার্কিং সেশন অন্তর্ভুক্ত ছিল। আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা একমত পোষণ করেন যে ‘ঢাকা থেকে সিলিকন ভ্যালি’ ভবিষ্যতে আরও এমন কমিউনিটি-নির্ভর উদ্যোগের সূচনা করবে, যা বাংলাদেশের তরুণদের সঙ্গে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও সুযোগের একটি কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে।