কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী সার্কেলের দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব কাপড় জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত দায়িত্বে নাগেশ্বরী সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনতাসির মামুন মুন, নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক প্রধান এবং পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নাগেশ্বরী উপজেলার দয়াময়ী পাইলট স্কুলসংলগ্ন ফজলুর রহমান ওরফে ফজলু চেয়ারম্যানের বাড়ি এবং মোমিনগঞ্জ এলাকায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুই স্থান থেকে মোট ২৬৮ পিস থান কাপড় জব্দ করা হয়। জব্দ করা কাপড়ের আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে এসব ভারতীয় কাপড় দেশে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী সার্কেলের দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নাগেশ্বরীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জেলার প্রতিটি থানায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।