তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার ফলে নওগাঁর জনজীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। গেলো কয়েক দিনে একই রকম ঠান্ডা ও কুয়াশার ফলে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। সকাল থেকে ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজ। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললে মানুষ তার নিজ কর্মক্ষেত্রে ফিরছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বদলগাছি আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণ অফিসের তথ্য মতে সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গত দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।
বদলগাছি কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুল হক জানিয়েছেন, শনিবার জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গিয়েছিলো। আজ (রোববার) কিছুটা তাপমাত্রা বেড়েছে। তবে শীতের তীব্রতা ও কুয়াশার প্রভাব না কমায় খুব সকালে ঘর থেকে বাহির না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
তিনি আরও জানান, বেশ কিছুদিন থেকেই জেলায় ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে। দুপুর শুরুর দিকে সূর্যের দেখা মিললে কমতে থাকে শীতের তীব্রতা। ভোর থেকে বৃষ্টির মত ঝড়তে থাকে কুয়াশা। যার কারণে প্রাণী জীবনে নেমে এসেছে কুয়াশা বিপর্যয়। ফলে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত নানান রোগবালাই।
এদিকে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষেরা এই শীতে বেশী বিপাকে পড়েছেন। কেননা ভোরে তাদের কাজের সন্ধানে বাহির হতে হয়। শিক্ষার্থীরা শীত উপেক্ষা করে পাঠগ্রহনের জন্য তাদের গন্তব্যে যায় সেই ভোরে। আর পশুপাখিরাও এই তীব্র শীতে পড়েছে ঠান্ডা বিপর্যয়ে।