হিমশীতল বাতাস আর কনকনে শীতে কাঁপছে দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া। সঙ্গে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তবে সকাল ৯টার পর সূর্যের দেখা মিলছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। এর আগে, ভোর ৬টায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর আগের দিন বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সারাদিন উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে শীতের মাত্রাটা বেশি বাড়ে এখানে। রাত বাড়তে থাকলে শীতও বৃদ্ধি পায় অধিক হারে।
এদিকে, জীবিকার তাগিদে হিম সকালেই কাজে যেতে দেখা যায় এ অঞ্চলে পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, ভ্যানচালক, দিনমজুর থেকে নিম্নআয়ের বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের। পাথর শ্রমিকরা নদীতে বরফজলের মধ্যেই নেমে পড়েন কাজে।
এদিকে পঞ্চগড়ের আশপাশের জেলায় গত কয়েক দিন থেকে শীতের মাত্রা বাড়তে থাকে এবং রাতে ও সকালে প্রচণ্ড কুয়াশা পড়ে। শীত নেমে আসায় গ্রামগঞ্জের মানুষ শীতের গরম কাপড় পরিধান করছে। বুধবার থেকে শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়েছে।
শীতের কারণে বাড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন শীতজনিত রোগব্যাধি। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে আউটডোরে ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়তে শুরু করেছে। চিকিৎসকরা চিকিৎসার পাশাপাশি শীতজনিত রোগ থেকে নিরাময় থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছেন।
জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, বৃহস্পতিবার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে এখানে। সামনের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।